লিঠন চেয়ারম্যানের উস্কানিই সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বাদলের বাড়ীতে হামলার মূল কারণ..

স্টাফ রিপোর্টার

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৫নং চরফকিরা ইউনিয়নে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলের বাড়িতে হামলার নেপথ্যে স্থানীয় চেয়ারম্যানের উস্কানিকেই দায়ী করেছে অনেকে। স্থানীয়দের মতে স্থানীয় চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন লিটন প্রথমে বাদলের মিছিলে হামলা করেই ক্ষান্ত হয়নি। সে ফোন করে বসুরহাট পৌর মেয়রকে উস্কানি দিয়ে ঘটনাস্থলে নিয়ে এসে বাদলের বাড়িতে নগ্ন হামলা চালায়।

এ প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে বিষয়টি উঠে এসেছে।

শুক্রবার(১৯ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৫টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলার সূত্রপাতের বিষয়টি জানতে চাপ্রাশিরহাট পূর্ববাজারের প্রত্যক্ষদর্শী অনেক ব্যবসায়ীর কাছে জানতে চাইলে তারা তাদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল তার পূর্বঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরর নামে শ্লোগান সম্বলিত একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল নিয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ অফিসের দিকে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন লিটনের নেতৃত্বে তার ভাই পিটন, টিটু ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি মেহেদীর নেতৃত্বে একটি গ্রুপ মিজানুর রহমান বাদল ও তার মিছিলের উপর অতর্কিতে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে ঘটনার সূত্রপাত করে। এসময় পুলিশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ও লাঠিচার্জ করে উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এরপর মিজানুর রহমান বাদল তার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে নিজ বাড়িতে এসে মতবিনমিয় সভা শুরু করে।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন জানান, বিষয়টি এখানেই শেষ হয়ে যেত, যদি স্থানীয় চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন লিটন ফোন করে বসুরহাট পৌর মেয়রকে ডেকে না আনতেন।

তাদের মতে জামাল উদ্দিন লিটনের ফোন পেয়ে বসুরহাট পৌর মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা শতাধিক হোন্ডা ও কয়েকটি মাইক্রো এবং তার নিজ গাড়িতে করে সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিয়ে চাপ্রাশির হাটে এসে মিজানুর রহমান বাদলের বাড়িতে হামলা করে। এসময় তরুন সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির ভিডিও ধারন করতে গেলে সে গুলিবিদ্ধ হয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে হামলার সময় বিভিন্ন মানুষ ও সংবাদকর্মীরা তাদের মোবাইলে ভিডিও ধারন করেছে। ভিডিওতে স্পষ্টই দেখা গেছে কার অনুসারীরা এ হামলা করেছে। এছাড়া চাপ্রাশির হাট বাজারের সিসিটিভি ফুটেজেও হামলাকারীদের হামলার দৃশ্য রয়েছে। তবে হামলাকারীদের কিছু কিছু লোকের নাম পরিচয় জানা গেলেও হামলাকারী সকলের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি বলে তারা জানান। এ ঘটনায় মিজানুর রহমান বাদল একটি মামলা দায়ের করেছেন।