কোম্পানীগঞ্জে করোনায় অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ায় বিপাকে সাধারণ যাত্রীরা

 

করোনা ভাইরাসের কারনে কয়েক দফা লকডাউন করা হয় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলাকে, এ সময়ে গণপরিবহন সিএনজি’র ভাড়া স্বাভাবিক সময়ের দ্বি-গুন এমনকি তিনগুন করে নেয়া হচ্ছে এবং ৩ জনের বেশি যাত্রী পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও ৫জন করে যাত্রী বহন করছে।

চাপ্রাশিরহাট টু বসুরহাট পর্যন্ত দূরত্ব বজায় রাখার জন্য ২জন যাত্রীর বেশি নিতে পারবেনা প্রতি সি এন জি সে হিসেবে প্রতিজন ২৫ টাকার স্থলে ৫০ টাকা বাংলাবাজার থেকে বসুরহাট জন প্রতি ৩০ টাকা পরিবর্তে ৬০ নির্ধারণ করা হয় এবং সে হিসেবে চলতে ও থাকে।

লকডাউন উঠে যাওয়ার পরও
বর্তমানে প্রতিটি সিএনজি ড্রাইভার ৫ জন করে যাত্রী বহন করার পরও ভাড়া আদায় করছে লকডাউন চলা কালীন সময়ের মত ৫০টাকা থেকে ৬০ টাকা হারে।

করোনা কালীন সময়ে মানুষ যখন অর্থনৈতিক সংকটে হিমসিম খাচ্ছে, ঠিক মতো খাবার পাচ্ছে না, কাজ নেই বেকার পড়ে আছে অভাব অনাটনে দিনকাটাচ্ছে ঠিক সেই সময়ে এই সকল অনিয়ম সাধারণ মানুষের জন্য গোধের উপর বিষফোঁড়ার মত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ মাসুদ এর সাথে এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে তিনি জানান আমরা প্রশাসনের সাথে বসে ড্রাইভার এবং যাত্রীদের কথা চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি চাপরাশিরহাট থেকে ৩ জন হলে জনপ্রতি ৪০ টাকা আর ২ জন হলে জনপ্রতি ৫০ টাকা করে এবং বাংলাবাজার থেকে ২ জন হলে জনপ্রতি ৫০ টাকা ৩ জন হলে জনপ্রতি ৪০ টাকা করে। কিন্তুু ৫ জন করে নেওয়ার বিষয়টা আমার জানার বাহিরে কেউ যদি ৫ জন করে নেয় তাহলে আগের ভাড়ায় দিবেন যদি বেশি দাবি করে তাহলে স্ব-স্ব স্থানে লাইনম্যান কে জানান অথবা গাড়ির নাম্বার নিয়ে সমিতি কে জানান।

কিন্তু এই বিষয়টি যখন প্রশাসনকে জানানো হয় তখন কোম্পানীগঞ্জ থানার তদন্ত অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম জানান, সিএনজি মালিক সমিতি ও শ্রমিক সমিতি এবং বাস মালিক সমিতির কেউ ভাড়ার বিষয়ে আমাদের সাথে কোনোদিন ও আলোচনা করে নি, এমনকি কোনো যাত্রী ও আমাদের কাছে অভিযোগ করে নি।
তবে কেউ যদি অভিযোগ করে তাহলে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখবো এবং মালিক সমিতির সাথে আলোচনা করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো

আর্কাইভ