স্কুল ছাত্রলীগ কর্মী থেকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোয়াখালীর নাজিম উদ্দীন

মোঃ শাহাদাত হোসেন নিশাদঃ-

পরিশ্রম সাফল্যের চাবিকাঠি। পরিশ্রমী ব্যক্তির শ্রম কখনো বৃথা যায় না। যার একমাত্র উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নব নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেমন সকল সমালচনার উর্ধ্বে ওবায়দুল কাদের এর মত তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক আদর্শবান ব্যক্তিকে নেতা বানাতে ভুল করেনি ঠিক তেমনি হাঁটি হাঁটি পা পা করে অজপাড়া গাঁ থেকে রাজনীতি করে উঠে আসা মেধাবী ও পরিশ্রমী ছাত্রনেতা নাজিম উদ্দিনকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক করতে ভুল করেনি বর্তমান কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।
নাজিম উদ্দিন সদ্য ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। রাজনীতির হাতেক্ষড়ি স্কুল জীবন থেকেই। হরিনারায়ণপুর উচ্চ বিদ্যালইয়ে পড়াশোনায় থাকাকালিন সময়েই জড়িয়ে পড়েন ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে। এর পরই ২০১০ সালে নোয়াখালী সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন নাজিম উদ্দিন। নোয়াখালীতে রাজনীতি করার সময় নানা প্রতিকূলতার মুখে পড়ে এই ছাত্রনেতা। কি›তু কখনোই অত্যচারের কাছে দমে যায় নি নাজিম। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে এই ছাত্রনেতা সাহসিকতার সাথে রাজনীতি করে গেছেন । কোন হামলা মামলা তাকে রুখতে পারেনি। চলার পথে সব সময় নিজের দলকে উর্ধ্বে রেখেছেন তিনি।
এইচ এস সি পাশের পর নাজিম উদ্দিন ভর্তি হন প্রাচ্যের অক্সফোর্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ে। যেখানে এসে ছাত্ররাজনীতিতে আরো ব্যাপকভাবেই জড়িয়ে পড়েন তিনি। এরপর নির্বাচিত হন শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের প্রচার সম্পাদক।
এরই ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সোহাগ-জাকির কমিটির মানব সম্পদ বিষয়ক উপসম্পাদক হিসাবে সফলতার সাথেই দায়িত্ব পালন করেন এই ছাত্রলীগ নেতা।
তাছাড়া জেলাভিত্তিক সামাজিক ও শিক্ষামূলক সংগঠন নোয়াখালী ছাত্রকল্যাণ পরিষদ, ঢাবি’র সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন ছাত্রলীগের এই নেতা।
এদিকে নাজিমের মত পরিশ্রমী ছাত্রনেতাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করায় পুরো নোয়াখালী জুড়ে উৎসব মুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কেন্দ্র থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাজার হাজার ছাত্রলীগ নেতা কর্মী অভিনন্দন জানান নাজিম উদ্দিনকে। তার সাথে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শোভন রাব্বানির প্রতি।
এদিকে নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক সুজন তার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেন স্নেহের ছোট ভাই নাজিমের সাথে আমার পরিচয় ২০০৮ সালে তখন সে হরিনারায়ণপুর উচ্চ বিদ্যালয় পড়াশুনা করতো। আমি বিশ্বাস করি যারা স্কুল থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতি সাথে সম্পৃক্ত ওদের মধ্যে শুধু বঙ্গবন্ধু আর্দশ লালিত হয়। নাজিম আমার এলাকায় তার বোনের বাসায় থেকে পড়াশুনা করতো। ২০১০ সালে আমি নাজিমকে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জেলা যুবলীগের যুগ্ন-আহবায়ক একরামুল হক বিপ্লব ভাইয়ের সাথে পরিচয় করে দিয়েছি। তারপর সে ২০১০ সালে পুরাতন কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়। সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত আমার সাথে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে আমাদের পাশে ছিলো। আজ নাজিমকে নিয়ে যে একটি মহল বলছে, সে ছাত্রদলের রাজনীতি করেছে, আমি এই কথার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, যারা বঙ্গবন্ধুর ছাত্রলীগ,আপার ছাত্রলীগ কে নিয়ে অপপ্রচার করছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হোক। বিশেষ ভাবে খেয়াল রাখতে হবে, তাদের স্থান যেন ছাত্রলীগে কখনো না হয়।
শুধু তাই নয় নাজিমকে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি নুরুল করিম জুয়েল। এছাড়া বিভিন্ন পর্যায় থেকে নাজিমকে নিয়ে অপপ্রচার করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে অনেকে। তারা সকল অপপ্রচারকারী দৃষ্টান্তমূলক সাস্তির আহবান জানান।