আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে কে আসবেন সিদ্ধান্ত নেবে দল : শেখ হাসিনা

নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অবসর নেয়ার পর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে কে আসবেন এটা দলই সিদ্ধান্ত নেবে। এখানে আমি কাউকে নির্ধারণ করে দিতে পারি না। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দেশের জনগণ এবং দলই ঠিক করবে কে হবেন তাদের পরবর্তী নেতা।

শুক্রবার বিকেলে ব্রুনেই সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশে আওয়ামী লীগকেও ডিজিটালাইজড করতে কাজ করছি। এরই মধ্যে টিমও তৈরি করে দিয়েছি। দলের সবই ডিজিটাইলজড করে দেয়া হচ্ছে। এই কাজটি হলে সবই এক জায়গায় বসে এক ক্লিকেই সব জানা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, ‘নিউজিল্যান্ডের মতো শান্তিপূর্ণ একটা দেশ সেখানে পুলিশও ব্যবহার করা লাগে না। ওই রকম একটা দেশে যখন এ ধরনের জঙ্গিবাদী ঘটনা ঘটাতে পারে আর বাংলাদেশে তো সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ লেগেই আছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা বৈশ্বিক সমস্যা। অনেক উন্নত ও শান্তিপূর্ণ দেশেও এ ধরনের ঘটনা ঘটে চলেছে। এর সঙ্গে অনেক শিক্ষিত ছেলেরা জড়িত। এর বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘পঁচাত্তরে যেভাবে জাতির পিতাকে হত্যা করা হয় এবং ৩ নভেম্বর জেলখানায় হত্যা এগুলো তো সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের পর্যায়ে পড়ে। যখন থেকে মিলিটারি ডিক্টেটররা ছিল তখন থেকে অনবরত ক্যু হতো, মানুষ হত্যা হতো। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর কীভাবে মানুষের ওপর অত্যাচার হয়েছে? তারপর আসেন অগ্নিসন্ত্রাস ২০১৩ সালের শেষের দিকে এবং ২০১৪ ও ২০১৫ সালে। সব থেকে বড় কথা প্রকাশ্য দিবালোকে গ্রেনেড হামলা করে মানুষ হত্যা করা। যে গ্রেনেড ব্যবহার করা হয় যুদ্ধে, সে গ্রেনেড ব্যবহার করা হলো আমাদের একটা র‌্যালিতে। সেই র‌্যালিটিও ছিল সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা তো সেই সন্ত্রাসের শিকার। ১৫ আগস্ট সব হারালাম আমরা। তারপর শ্রীলঙ্কায় আমাদের পরিবারের একজন মারা গেল আমাদের আপনজন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অগ্নিসন্ত্রাস তো আরেকটা পথ দেখালো সেই ২০১৫ জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত আগুন দিয়ে দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করা। নুসরাতকেও অগ্নিসন্ত্রাসের শিকার হতে হলো। তারই শিক্ষক তাকে আগুন দিয়ে পোড়ানোর ব্যবস্থা করলো। সন্ত্রাসের ঝুঁকি তো আছে, কিন্তু আমি এইটুকু বলতে পারি, আমরা যথেষ্ট সজাগ আছি।’

আর্কাইভ