ওবায়দুল কাদের ও কোম্পানীগঞ্জের উন্নয়ন

প্রশান্ত সুভাষ চন্দ :

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ওবায়দুল কাদের ও উন্নয়ন একে অপরের পরিপূরক বলা যায়। ওবায়দুল কাদের মানে উন্নয়ন আর উন্নযন মানেই ওবায়দুল কাদের। সর্বস্তরের জনসাধারণ এক নজরে যদি ওবায়দুল কাদেরের উন্নয়নের দিকে তাকায় তাহলে দেখতে পাবে দৃশ্যমান এসকল উন্নয়ন। দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নয়, নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তাকালেও এ উন্নয়নকে অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই।

ওবায়দুল কাদেরের ব্যাপক উন্নয়নের কিছু চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে প্রথমেই চোখের সামনে ভেসে উঠল বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতার কথা। পাশাপাশি গরীব জনগোষ্ঠির মাঝে ভিজিএফ চাউল বিতরণের বিষয়টিও এড়িযে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। প্রত্যেকটি ইউনিয়নে প্রতিমাসে এ কর্মসূচী চালু রয়েছে। আরেকটি বিষয় লক্ষনীয় যে, নদী ভাঙ্গন রোধে ইতিমধ্যে মুছাপুর ক্লোজার নির্মান করা হয়েছে পাশাপাশি সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ক্লক নির্মান কর্মকান্ড এখনো চলমান রয়েছে এবং গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে অসংখ্য কাঁচা রাস্তা পাকা করা হয়েছে। যা কোম্পানীগঞ্জের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমুল পরিবর্তন এনে দিয়েছে।

শিক্ষাখাতেও ওবায়দুল কাদেরের উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। যা কোম্পানীগঞ্জে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনে দিয়েছে। ওবায়দুল কাদেরের দক্ষ হাতের ছোঁয়ায় উপজেলার অসংখ্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভবন নির্মান ও সীমানা প্রাচীর নির্মান করা হয়েছে।

এছাড়াও মসজিদ মন্দির, মাদরাসা এমন কোন প্রতিষ্ঠান নেই যে, যেখানে ওবায়দুল কাদেরের উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।