নোয়াখালী চাপরাশির হাটে দোকান ঘরে হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ…

 

আমির হোসেনঃ-

নোয়াখালী কবিরহাট উপজেলার চাপরাশির হাট বাজারে নব নির্মিত মার্কেট ও ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে রাতের অন্ধকারে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ।

উক্ত মার্কেট ও ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানে রাতের অন্ধকারে কবিরহাট পৌরসভার কমিশনার আনোয়ারের নেতৃত্বে ৬০-৭০ জন সন্ত্রাসী হামলা,ভাংচুর ও লুটপাট করেন বলে অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার মজিবল হকের ছেলে আলা উদ্দিন।

মজিবল হকের ছেলে আলা উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন যে ঘরে হামলা করে লুটপাট,ভাংচুর করা হয়েছে এটি জেলা পরিষদের জায়গা,এই জায়গাটি আমরা ১৯ বছর আগে জেলা পরিষদ থেকে বন্ধবস্ত নিয়ে ভোগ দখল করে আসছি।

এটি আমার বাবা মজিবল হক ১৯ বছর আগে বন্ধবস্ত নিয়েছিল সে সুবাদে আমরা চার ভাই আলা উদ্দিন,সালা উদ্দিন,রিপন ও জিয়া উদ্দিন এখানে ব্যবসা বানিজ্য করার উদ্দেশ্যে এ দোকান ঘরটি ২ মাস আগে নির্মাণকাজ করি।

বর্তমানে আমাদের বাড়ীর হাসিনা আক্তার তার মেয়ের জামাতা কবির হাট পৌরসভার কমিশনার হওয়ায় ও তার এক মেয়ে সুপ্তা আক্তার চাপরাশিরর হাট ইউনিয়ন পরিষদে চাকুরী করার সুবাদে আমাদের বন্ধবস্ত নেয়া জায়গা তারা বন্ধবস্ত নিয়েছে দাবি করে।

এ বিষয়ে আমরা কয়েকবার থানা ও ইউনিয়ন পরিষদের শরণাপন্ন হলে তারা কাগজ পত্র যাচাই বাচাই করে মৌখিক ভাবে আমাদের জায়গা হিসেবে সিদ্ধান্ত পাই।

এরপরও হাসিনা আক্তার তার মেয়ের জামাতা কমিশনার আনোয়ারকে দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে তার লালিত সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমাদের দোকান ঘরে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও প্রায় দশ লক্ষ টাকার মালামাল লুটপাট করে।

এ বিষয়ে কমিশনার আনোয়ারের সাথে যোগাযোগ করে জানতে চাইলে সে জানান এটা তাদের সাজানো নাটক এ ধরনে সন্ত্রাসী হামলা ও কর্মকাণ্ডের সাথে আমার কোন সম্পৃক্তা নেই।

স্থানিয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহি উদ্দিন টিটু সাথে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে সে বলেন হামলা হয়েছে শুনেছি কে করেছে কারা করেছে এ বিষয়ে আমি অবগত নয় আপনি কবিরহাট থানার ওসির সাথে যোগাযোগ করুন বিস্তারিত জানতে পারবেন।

কবিরহাট থানার ওসি না থাকায় এ বিষয়ে কবিরহাট থানার তদন্ত অফিসার টমাস বড়ুয়া কাছে জানতে চাইলে সে জানান ঘটনার রাতে আমরা খবর পেয়ে ঘটনার স্থলে গিয়েছিলাম কিন্তুু আমরা ঐ খানে যাওয়ার পর কাউকে পাইনি, যাদের দোকান ঘরে হামলা হয়েছে তাদেরকে বলে এসেছি কাউকে সন্দেহ করলে আমাদের কে অবগত করার জন্য আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেবো।

আর্কাইভ