নির্বাচন উপলক্ষে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার সাথে বিএনপির গোপন আঁতাতের খবর ফাঁস

সামনেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন। গেলবারের মত আর ভুল করতে চায় না বিএনপি। এবার তাই আটঘাট বেঁধে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত তাদের। এমনিতে বিএনপির আন্দোলনের মূল এজেন্ডা হিসেবে সবসময়ই তারেক জিয়া এবং খালেদা জিয়ার স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে এসেছে। বিরোধী দল হিসেবে জনস্বার্থে কখনই কোন কথা না বলাতে দলটি তাই অনেকদিন যাব‌ৎ জনবিচ্ছিন্ন। জনসমর্থন নিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার সব সরল পথ বন্ধ। অতএব শেষ উপায় পেছনের রাস্তা। একের পর এক বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীকে উস্কানি কিংবা সরকার উ‌ৎখাতের গোপন ষড়যন্ত্র যখন মুখ থুবড়ে পড়েছে তখন দলটি তাদের পুরানো মিত্রদের কাছে আবারো সাহায্য প্রার্থনা করেছে। পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আএসআই ও তাদের পুরোনো বন্ধুদের প্রতি হাত বাড়িয়ে দিতে কোন কার্পণ্য করেনি।

জানা যায়, পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে মেজর জেনারেল থেকে সদ্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল হওয়া নাদিম জাকি মাঞ্জ এবং ওয়াসিম আশরাফের সাথে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল এই বছরের শুরু থেকেই যোগাযোগ করে আসছেন। ইতোমধ্যে নামে এবং বেনামে পাকিস্তান থেকে দুবাই হয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে ৫৮৭ কোটি টাকা বাংলাদেশে এসেছে। বাড়তি সাবধানতার জন্য সোমালিয়া, ব্রাজিল এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন ব্যাংক থেকে এবং হুন্ডির মাধ্যমে এই অর্থ পুরো সেপ্টেম্বর মাস জুড়ে আসতে থাকে। নির্বাচনকালীন প্রশাসনকে প্রভাবিত করা, নাশকতা এবং ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাওয়ার জন্য এই বিনিয়োগ।