যে কারনে শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত ও অভিনন্দিত মিজানুর রহমান বাদল

 

আমির হোসেনঃ-

নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল একজন আদর্শবান, একজন কর্মঠ, একজন নীতিবান, একজন সমাজ সেবক, একজন মানবতাবাদী ও একজন শিক্ষা অনুরাগী হিসেবে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় কাজ করে যাচ্ছে নিরলস ভাবে,যার স্বীকৃতি হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য নোয়াখালী শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন মিজানুর রহমান বাদল।

মিজানুর রহমান বাদল এর আগে স্বাস্থ্যখাতেও তার বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে নোয়াখালী শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন,তার এ অর্জনে তার শুভাকাঙ্খী,আত্বীয় স্বজন, বন্ধুবান্ধব সহ কোম্পানীগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষের মাজে বইছে আনন্দের বন্যা ,তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন ফেইজবুক,মেসেঞ্জার, টুইটার,ফোন সহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

তার সাথে কথা বলে প্রাথমিক শিক্ষায় তার এ অর্জনের অনুভূতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার এ অর্জন কোম্পানীগঞ্জের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক,ছাত্রছাত্রী ,অভিভাবক সহ কোম্পানীগঞ্জ বাসীর,সবাই আমাকে সহযোগীতা করে উদ্ভূত করেছে বলে এ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি,কাজ করতে পেরেছি ,আমি আমার এ অর্জন কোম্পানীগঞ্জ বাসীর জন্য উৎসর্গ করলাম।

এক নজরে প্রাথমিক শিক্ষা সম্প্রসারণে তার ভুমিকা:-

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন, সম্প্রসারণ ও বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য অবদান রেখেছেন ৯০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।যার মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরকারি ভাবে মাল্টিমিডিয়া শ্রেনিকক্ষ স্থাপন, মহানুভবতা দেয়াল স্থাপনে সহায়তা প্রদান করেন ৩০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, সততা স্টোর চালুতে উদ্বুদ্ধকরন ও সহায়তা প্রদান করেন ৯০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

বিদ্যালয়ের গেইট ও সংযোগ সড়ক নির্মান করেন ৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, শহীদ মিনার নির্মাণ করেন ৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, প্যারা শিক্ষক নিয়োগ ও সম্মানী প্রদান করেন ৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে,শৌচাগার নির্মাণ করেন ৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে,বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাট করেন ৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে,২৫ জন বৃত্তি প্রাপ্ত/পরিক্ষায় উত্তম ফলাফল অধিকারী শিশুদের পুরস্কৃত করা,ব্যক্তিগত দান বা জনগনের সহযোগীতায় গৃহ নির্মাণ ও সম্প্রসারন ১০টি,১৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের বসার জন্য টুল বেন্ঞ্চ তৈরি করে দেয়া,বৃক্ষ রোপন করেন ৪০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, ফুল বাগান তৈরি করেন ৩০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে,সীমানা প্রাচীর তৈরি করেন ৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে,মিড ডে মিল চালু করন ও টিফিন বক্স বিতরন করেন ৯০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে,খেলাধূলার সামগ্রী সরবরাহ করেন ৯০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে,বিদ্যালয়ে কাব গঠনে সহায়তা করেন ৫৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে,আন্তঃবিদ্যালয় কাব সমাবেশ আয়োজনে সহায়তা প্রদান করেন ৫ টিতে,শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করতে পিতামাতা কে নিয়ে ৪০ টি অবিভাবক সমাবেশ ও ৮০ মা সমাবেশ করেন।

এছাড়া শিশুদের বিনোদনের জন্য ১০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান, গরীব শিশুদের মাজে খাতা,পেন্সিল সহ নানা রকম শিক্ষা উপকরন প্রদান করেন ১৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে,ব্যক্তিগত ও জনগনের অসহায়তায় বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ৩০০ টি পোশাক বিতরন করেন এবং ৯০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্ষ ও নির্দেশনা প্রদান করেন এবং প্রাথমিক শিক্ষার নীতি ও নির্দেশনামূলক তথ্য বহুল প্রবন্ধ /নিবন্ধ/বই প্রকাশ করেন ২ টি ও প্রথমিক শিক্ষার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে রেডিও, টেলিভিশনে বক্তব্য, কথিকা ও আলোচনায় অংশগ্রহন করেছেন ৫ বার,যার ফলে প্রথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতির হার বেড়েছে ৯৬%।

উল্লেখ্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার সম্প্রসারণ ও তার মান উন্নয়ন করে শিশুদের শিক্ষায় উদ্ভুত করনে এমন ভুমিকা বিবেচনা করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল কে নোয়াখালীর শ্রেষ্ঠা উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়।