বাংলাদেশে স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজত্ব কায়েম করতে বিএনপির ১০ প্রচেষ্টা

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে স্বাধীনতা অর্জনের পর তাকে আবার পরাধীন রাষ্ট্রে পরিণত করে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির বহু চেষ্টাই করেছে বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দল বিএনপি। আর এর নেপথ্যে ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। তিনিই প্রথম বাংলাদেশে স্বাধীনতাবিরোধীদের পাকিস্তান থেকে ফিরিয়ে এনে পরাধীন রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠেন। তার অবর্তমানেও দলীয় প্রধান খালেদা জিয়া এবং তার পুত্র তারেক রহমানসহ দলীয় নেতারা বহুচেষ্টা করছে।

নিচে স্বাধীনতাবিরোধী রাজত্ব কায়েম করতে বিএনপির উল্লেখযোগ্য ১০টি প্রচেষ্টা তুলে ধরা হলো-

ন্যাক্কারজনক ১০ প্রচেষ্টার মধ্যে প্রথম প্রচেষ্ট হলো, স্বাধীনতা পরবর্তীতে জিয়াউর রহমানের পক্ষ থেকে স্বাধীনতাবিরোধীদের বাংলাদেশে রাজনীতি করার অনুমতি প্রদান করা হয়।

দ্বিতীয়ত, স্বীকৃত রাজাকার শাহ আজিজুর রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানানো হয়।

তৃতীয়ত, জিয়ার শাসনামলে ১৯টি ক্যু হয় এবং বিনা বিচারে কয়েক হাজার দেশপ্রেমিক সেনা সদস্যকে হত্যা করা হয়।

চতুর্থত, যুদ্ধাপরাধী গোলাম আজমকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেয় হয়। যাতে দেশকে পাকিস্তানী রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়।

পঞ্চমত, হাওয়া ভবন তৈরি করে দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে দুর্নীতির বরপুত্র তারেক রহমান। সেখান থেকেই দেশ বিক্রির ষড়যন্ত্র করতেন তিনি।

ষষ্ঠত, ২০০৪ সালের একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে আওয়ামী লীগের ২৪ নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়। বিএনপি-জামায়াতের উদ্দেশ্য ছিলো তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেতা এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করে চিরতরে স্বাধীনতাকে হরণ করা।

সপ্তমত, বিএনপির পৃষ্ঠপোষকতায় জঙ্গিবাদের অবাধ উত্থান ঘটে। ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট দেশের ৫০০ স্থানে সিরিজ বোমা হামলা করে জেএমবি।

অষ্টমত, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি আমলে সারাদেশে জঙ্গি হামলা হয় ৯৮টি।

নবমত, শাহ এএমএস কিবরিয়া, আহসানউল্লাহ মাস্টারসহ ২৫ হাজার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে হত্যা করে।

দশমত, ২০১৩ থেকে ১৫ সালে আন্দোলনের নামে পেট্রোল বোমা মেরে ৫০০- এর বেশি মানুষকে হত্যা করে।

যদিও তাদের সে পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি। বরং দেশের মানুষ বিএনপির অসৎ উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন হয়ে সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়েছে। জনগণ যেকোন ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রস্তুত।