বড় ধরণের নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামছে জামায়াত-শিবির

নিউজ ডেস্ক: সরকারকে অবৈধ পন্থায় উৎখাত করতে ভয়ানক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে জামায়াত-শিবির। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই বড় ধরণের নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামছে জামায়াত-শিবিরের লক্ষাধিক প্রশিক্ষিত কর্মী। সম্প্রতি আটককৃত শিবিরের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতার জবানবন্দিতে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে ।

গোপন সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনের আগে দেশের চলমান পরিস্থিতিতে বিঘ্ন ঘটাতে শিবিরের জঙ্গি প্রশিক্ষক গ্রুপ দেশব্যাপী নতুন নতুন সদস্য তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। যেখানে পুলিশের উপর হামলা চালানোসহ ভয়ানক ছক সাজানো হয়েছে। ছক অনুসারে জামায়াত-শিবির এই সকল কর্মীরা পুলিশের উপর লাগাতার হামলা চালিয়ে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করার পাশাপাশি বহি:বিশ্বের কাছে দেশের সুনাম ক্ষুন্ন করতে সর্বদা অপকর্মে লিপ্ত থাকবে। সংগঠনটি আগের ধরণ পাল্টে তারা জঙ্গিদের অনুকরণে টেলিগ্রামের মতো বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করছে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতে, সম্প্রতি শিবিরের বিভিন্ন আস্তানায় অভিযান চালিয়ে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনার একটি নকশা পাওয়া গেছে। এছাড়া আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উপর হামলা চালানোর পরিকল্পনা সংক্রান্ত বেশ কিছু নথিপত্র জব্দ করা হয়েছে।

জানা যায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা কিংবা না করা দু’ব্যাপারেই প্রস্তুতি নিয়েছে জামায়াত-শিবির। আর এই প্রস্তুতির পুরোটাই নাশকতা নির্ভর। সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রামে বেশ কয়েকটি অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। আর ওই অভিযানে আটক করা হয়েছে ১০০ এর বেশি কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীকে। জব্দ করা হয়েছে শিবিরের সাংগঠনিক গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র । আর এইসব নথিপত্রে উঠে এসেছে নির্বাচন কেন্দ্রীক নানা পরিকল্পনা। আগে মসজিদ মেস কিংবা গোপন আস্তানায় তারা সংগঠিত হলেও এখন তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দিতে ব্যবহার করছে টেলিগ্রামসহ নানা ধরণের মোবাইল অ্যাপস।

তথ্যসূত্র বলছে, জামায়াত শিবির এখন পুলিশের মনোবলকে ভেঙে দেওয়ার জন্য নানা পরিকল্পনা করছে। তারা ধারণা করছে পুলিশের মনোবল ভেঙে গেলে জনগণের মনোবল ভেঙে যাবে। আর সেই উদ্দেশ্যেই তারা হামলার পরিকল্পনা করছে। নির্বাচনের আগে দেশকে অস্থিতিশীল করে ক্ষমতাশীল সরকারকে চাপের মুখে রাখার জন্য জামায়াত শিবির এ ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করছে।

শিবিরের গোপন নথি অনুযায়ী আগামী অক্টোবর মাসে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন হওয়ার পরেই মাঠে নামবে তারা। এই অবস্থায় শিবির কর্মীদের তালিকা তৈরি করছে পুলিশ প্রশাসন।

উল্লেখ্য, বিভিন্ন নগরীতে পুলিশের অস্ত্র দমন অভিযান চালানো হচ্ছে। ইতোমধ্যেই একটি আস্তানা থেকে শিবিরের ৪৮ জন সদস্য শীর্ষ নেতার পাশাপাশি চট্টগ্রামের অন্ত্যত ৪’শ নেতাকর্মীর ঠিকানা সম্বলিত একটি তালিকা পেয়েছে পুলিশ।