কুকুরের লেজ কখনো সোজা হয় না :  ফখরুলকে তারেক

 বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে নাগরিক ঐক্যের ব্যানারে “ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বর্জন জাতীয় নির্বাচন ও রাজনৈতিক জোট” শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন রাজনৈতিক দল বিকল্প ধারার সভাপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তারেক রহমান মির্জা খরুলকে যুক্তফ্রন্ট ও যুক্তফ্রন্ট নেতাদের থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বহুবার। নিষেধ অমান্য করে বার বার সে যুক্তফ্রন্ট নেতাদের অনুষ্ঠানে গিয়ে হাজির হন।

গত রমজানে বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে নিজেদের ইফতার পার্টিতে নিয়ে এসেছিল, এমনকি তাঁকে ‘অভিভাবক’ হিসেবেও অভিহিত করেছিল মির্জা ফখরুল। কিন্তু সেই পার্টিতে এসে বি. চৌধুরী বিএনপির কারান্তরীণ চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি চাননি। এই ঘটনায় ক্ষুদ্ধ হয়েছিলেন তারেক। সে সময় আবার যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে বিএনপির কথা চলছিল যে তাঁরা যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে একটি ঐক্যজোট গঠন করবে।

এরপর ‘উদ্বিগ্ন নাগরিক সমাজ’ ব্যানারে জাতীয় প্রেসক্লাবে শিক্ষার্থীদের ওপর সরকারের কথিত নির্যাতনের প্রতিবাদে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ।

এই পরিপ্রেক্ষিতে তারেক লন্ডন থেকে মির্জা ফখরুলকে ফোন করে। ফোন করে ভবিষ্যতে বি. চৌধুরীর সঙ্গে কোনো মঞ্চে যেতে ফখরুলকে নিষেধ করে দেয়।

বুধবারের অনুষ্ঠানে আবারও নিজ দলের মহাসচিবে উপস্থিত হওয়ার ঘটনায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া খুবই অসন্তুষ্ট হয়েছেন। বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সঙ্গে একই মঞ্চে ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উপস্থিত হওয়াকে তিনি ভালো চোখে দেখেননি। একে তিনি বি. চৌধুরীর সঙ্গে ফখরুলের ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন।

এছাড়া বুধবারের অনুষ্ঠানটি তারেক জিয়াকে আরও বেশি ক্ষুদ্ধ করে কারণ হলো, অতীতের মতো কালকের অনুষ্ঠানেও বি. চৌধুরীর মুখে তারেক জিয়ার মামলার নিষ্পত্তি ও  খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি উচ্চারিত হয়নি।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, নাগরিক ঐক্যের অনুষ্ঠানে ফখরুলের উপস্থিতির খবর শুনার পরপরি তারেক ফখরুলকে ফোন করে । বার বার নিষেধ করা সত্বেও কেনো যুক্তফ্রন্ট্রের নেতাদের সাথে অনুষ্ঠানে যায় সে জন্য শাসাতে থাকে ফখরুলকে। এক পর্যায় রেগে গিয়ে ফখরুলের উদ্দেশ্য করে বলে ‘‘কুকুরের লেজ কখনো সোজা হয় না। আর আপনিও মনে হয় শুধরাবেন না।”