হাম্বা রবে আসছে কোরবানির পশু

ঈদের বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। ঈদুল আযহার প্রধান আকর্ষণ হলো কোরবানির পশু। কোরবানির পশুর জন্য দেশের বিভিন্ন এলাকায় একটি নির্দিষ্ট জায়গায় পশু বিক্রির জন্য স্থান বা হাট বসে। এক সময় এলাকার যত্রতত্র বিভিন্ন স্থানে হাট বসতো, এতে করে সৃষ্টি হতো যানজট। ঈদের পর পশুর বর্জ্যও পরে থাকতো যেখানে সেখানে। এতে করে পরিবেশ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পথচারী ও এলাকাবাসীর চলাচলের জন্য ব্যাঘাত সৃষ্টি হতো। এসব সমস্যা দূর করার জন্য  সরকারের সিদ্ধান্তে বর্তমানে এলাকার নির্দিষ্ট স্থানে  পশুর হাট  নিয়ে  বসছে খামারি বা বেপারিরা।

ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কোরবানির পশু আসা শুরু করেছে। দেশের সব থেকে বড় পশুর হাট বসে রাজধানীর গাবতলীতে। দেশের সব জায়গা থেকেই গাবতলী হাটে পশু নিয়ে আসেন খামারি-বেপারিরা। গাবতলী পশুর হাট কর্তৃপক্ষ এখন ব্যস্ত সময় পার করছে। হাটের বিভিন্ন জায়গায় খামারি বা বেপারিরা তাদের পশু নিয়ে চলে এসেছে। যদিও কিছু অংশ এখনও বাকি শামিয়ানা ও লাইট লাগানোর জন্য। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা শুরু করেছে কোরবানির পশু। গরুর পাশাপাশি আসছে ছাগল, মহিষ।

প্রতি বছরের মতো এবারও গাবতলী হাটের ইজারা পেয়েছেন মো. লুৎফর রহমান। মূল হাটের সঙ্গে প্রতি বছরের মতো এবারও যুক্ত হচ্ছে গাবতলী বেড়িবাঁধের পশ্চিমাংশ। থাকবে ১০টি হাসিল ঘর। জায়গা ভাড়া নেয়া বিভিন্ন এগ্রো ফার্ম ও গবাদি পশু ব্যবসায়ীরা ইতোমধ্যে কাজ করছেন নিজ নিজ প্যান্ডেল তৈরির।

বিগত বছর গুলোতে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে পশু এসেছিলো দেশের বিভিন্ন হাটে। এমনকি ভারত থেকে আসা গরুর জন্য আমাদের দেশীয় গরুর বেপারিরা লাভবান হত না। এজন্য দেশের সীমান্ত গুলোতে পশু আনয়নের ক্ষেত্রে এবার কড়া নজরদারী রাখা হয়েছে। দেশের স্থল ও নৌপথের মাধ্যমে আসছে কোরবানির পশু। কিছুদিনের ভিতরই দেশের বিভিন্ন এলাকার পশুর হাট জমে উঠবে। হাম্বা রব উঠবে আশেপাশের বিভিন্ন জায়গা থেকে। ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হবে সকলের হৃদয়।