য়ানমারের সঙ্গে যে ব্যক্তির আঁতাতের কারণে ১১ লাখ রোহিঙ্গা প্রবেশ করে বাংলাদেশে

নিউজ ডেস্ক: মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থান করছে ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। এসব রোহিঙ্গা চার দফায় বাংলাদেশে প্রবেশ করে। মানবতার খাতিরে বাংলাদেশ তাদের ফিরিয়ে দিতে পারছে না। তবে কেনো এতো রোহিঙ্গা হঠাৎ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে? বাংলাদেশের বিভিন্ন গোপনীয় তথ্য কার বরাতে পাচার হয়েছে মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চির কাছে। যার কারণে মিয়ানমার এতো সাহস পেয়েছে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের ঠেলে দিতে!

নানা তথ্য-উপাত্ত্ব বিচার ও বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মূলত বাংলাদেশের একটি মহলের সঙ্গে সখ্যতার কারণেই মিয়ানমার বাংলাদেশে ১১ লাখ রোহিঙ্গা পাঠানোর সুযোগ পায়। বিভিন্ন নথি বরাত প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে বাংলাদেশের আলোকচিত্রী ও দৃক ফটো গ্যালারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. শহিদুল আলম মিয়ানমারের একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে ই-মেইলে গোপন তথ্য বিনিময় করেন।

যখন রোহিঙ্গারা সফলভাবে বাংলাদেশের চলে আসে তখন শহিদুল আলমকে ২ অক্টোবর ২০১৭ লার্স নামক একজন ব্যক্তি ই-মেইল করে ধন্যবাদ জানায়। যাতে লেখা ছিল শহিদুল আলমের সহযোগিতা ছাড়া এই মিশন কখনই সফল হতো না।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর ব্যাপক অত্যাচার করেছে। আর সেই সেনাবাহিনীর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক ছিলো শহিদুল আলমের। সম্প্রতি প্রকাশ পাওয়া গোপন এক নথিতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে তার ছবি প্রকাশ পায়। যিনি রোহিঙ্গা নির্যাতনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন।

এ প্রসঙ্গে রাজনীতি বিশ্লেষক আনোয়ারুল সাত্তার বলেন, যিনি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সম্পর্কে বিদ্রুপ মন্তব্য করতে কখনো পিছপা হননি, তিনি কিভাবে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে পারেন? তার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী? রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের আনার পেছনে তার ইন্ধন ছিল। কিন্তু মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সঙ্গে তার সম্পর্ক বাংলাদেশের জন্য কখনই সুখবর বয়ে আনবে না। সরকারের উচিত শহিদুল আলম সম্পর্কে আরো অনুসন্ধান চালিয়ে দেশকে ষড়যন্ত্রের হাত থেকে রক্ষা করা।