মির্জা ফখরুলকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, রিজভীকে কাজের বুয়া বললেন ফখরুল

নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতাসীন সরকারকে ষড়যন্ত্রকারী বলে মির্জা ফখরুলের তোপের মুখে পড়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে স্বার্থ উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে সরকারকে উল্টো দায়ী করার মতো যুক্তিহীন কথা বলার জন্য সমালোচনার শিকার হয়েছেন রিজভী আহমেদ। সরকার পতনের জন্য কিছু না করে পল্টন অফিসকে বাড়িঘর বানানোর জন্য রিজভী আহমেদকে গালি দিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। ফলশ্রুতিতে রাগান্বিত হয়ে মির্জা ফখরুলকে পার্টি অফিসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন রিজভী। এদিকে পার্টি অফিসে সংসার সাজানো এবং পিকনিক করার জন্য রিজভী আহমেদ কাজের বুয়া বলেও গালি দেন ফখরুল।

৯ আগস্ট পল্টন পার্টি অফিসে দেশের চলমান পরিস্থিতির জন্য সরকারকে দায়ী করে একের পর এক মিথ্যা বক্তব্য দিতে থাকেন রিজভী আহমেদ। ঘটনাস্থলে উপস্থিত মোহাম্মদপুর থানা বিএনপির জনৈক সিনিয়র নেতার জবানিতে জানা যায়, দলের সিনিয়র নেতাদের অনুমতি না নিয়েই ব্যক্তিগত অভিমত প্রকাশ করার জন্য রিজভী আহমেদের কড়া সমালোচনা করেন মির্জা ফখরুল। অযাচিত মন্তব্য করে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করা, সিনিয়র নেতাদের অনুমতি না নেওয়ার অভিযোগ এনে রিজভী আহমেদকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে পার্টি অফিস থেকে বের করার হুমকি দেন মির্জা ফখরুল। মির্জা ফখরুলের মতে, ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করার কোনো অর্থ হয় না।

মির্জা ফখরুল বলেন, তারেক রহমানের নির্দেশ পালন করতে গিয়ে পাগলামী করা যাবে না। অতিউৎসাহী হয়ে দেশবাসীর সামনে গুজব ছড়ানো অর্থহীন। এসময় রিজভী আহমেদ নিজেকে তারেক রহমানের মনোনীত ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব দাবি করেন এবং মির্জা ফখরুলকে পার্টি অফিসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। রিজভী আহমেদের সাহস দেখে হতবাক হয়ে যান ফখরুল। খুদ খেয়ে বেঁচে থাকা রিজভী আহমেদের দুঃসাহসে উপস্থিত অনেকেই আকাশ থেকে মাটিতে পড়েন। এসময় মির্জা ফখরুল নিজেকে বিশাল আকাশের সাথে তুলনা করে রিজভীকে চামচিকা বলে ভৎসনা করেন। আন্দোলন করার সাহস ও সামর্থ রিজভীর নেই বলেও মন্তব্য করেন ফখরুল। রিজভীকে পার্টি অফিসের কাজের বুয়া বলেও সম্মোধন করেন তিনি। তর্কের এক পর্যায়ে মির্জা ফখরুল রিজভী আহমেদকে মারার জন্য তেড়ে গেলে উপস্থিত তৃতীয় সারির নেতারা তাকে বাধা দেন। এসময় রাগান্বিত স্বরে রিজভীকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিতে দিতে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন মির্জা ফখরুল।