কোম্পানীগঞ্জে দলীয় কোন্দলের জেরে ছাত্রদল সভাপতি ছুরিকাহত!

 

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের চরহাজারী ইউনিয়নে দলীয় অন্তঃকোন্দলের জের ধরে, ৪নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি এরশাদ (১৮),কে ছুরিকাহত করেছে একই সংগঠনের নেতা কর্মিরা ।

৯ আগস্ট,বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার চরহাজারী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

এসময় হামলায় আহত ছাত্রদল নেতা এরশাদ’র অভিযোগের তীর, নিজ চরহাজারী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি হারুন এবং সাধারণ সম্পাদক ইমাম হাসান স্বপন’র দিকে। আহত ছাত্রদল নেতা দাবি করেন,ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতির যোগসাজশে এবং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে এ হামলা করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে,ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দাবি করেন,এ হামলার সাথে তারা কোন ভাবেই জড়িত নয়,রাজনৈতিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা এ কাজ করছে। আমরা ছাত্রদল নেতার উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও আইন-আনুগ বিচার দাবি করছি।

যদিও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুর নবী বাবুল জানান,ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দলীয় অন্তঃকোন্দলে হামলার শিকার হয়ে বর্তমানে অসুস্থ। যুবদলের কেউ এ হামলার সাথে জড়িতে নয় বলে,তিনি দাবি করেন।

হামলার শিকার ছাত্রদল নেতা এরশাদ’র বরাতে জানা যায়,৯ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাত ১০টার সময় তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আসে যুবদল নেতা-বাদল,আলো। এরপর কথা কাটা কাটির একপর্যায়ে মুখোশ পরিহিত ৭-৮জন যুবক তাকে হামলা করে
এসময় হামলাকারীরা প্রথমে তার ডান পায়ে ৭-৮ জায়গায় ছুরিকাঘাত করে এবং বুকের বামপাশে উপর্যপুরি ছুরিকাঘাত করে।

স্থানীয় সূত্রে বলা হচ্ছে,গত ২ আগস্ট ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক স্বপন দলীয় অন্তঃকোন্দলে কারণে হামলার শিকার হয়েছিলেন। ওই হামলার পাল্টা হামলা হিসেবে ছাত্রদল নেতার ওপর এ পাল্টা হামলা করা হয়েছে।

ছুরিকাঘাতে মারাত্বক আহত ছাত্রদল নেতা এলাকাবাসী উদ্ধার করে প্রথমে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করে। অবস্থা সঙ্কটাপন্ন হওয়ার তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয় ।

বর্তমানে ওই ছাত্রদল নেতা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। স্থানীয় একটি সূত্রে জানা যায়,এ হামলায় গুরুত্বর আহত ছাত্রদল নেতার পরিবারের পক্ষ থেকে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।