ছাত্রদের ভিড়ে এরা কারা?

নিউজ ডেস্ক: বাসচাপায় দু’জন শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার ঘটনার পর ৪ দিন ধরে আন্দোলন চলছে। এই আন্দোলনে একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী ক্রমাগতভাবে ঢাকা শহরকে অচল করে দেয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বিশেষ করে গত দু’দিন ধরে স্কুলছাত্রের পাশাপাশি বিভিন্ন সুবিধাবাদী গোষ্ঠীও একত্রিত হচ্ছে। নিষ্পাপ শিশুদের ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। এই আন্দোলনের ভিড়ে এই স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী অন্য কিছু চাইছে। এদের হাত থেকে দেশ আজ নিরাপদ নয় বলেই মনে করেন সচেতন মহল।

বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে বয়স্ক মানুষদের দেখা যায়। বিশ্বস্ত সূত্রমতে, সরকার বিরোধী কিছু শক্তির সরাসরি ইন্ধনে রাষ্ট্রের সম্পদ ধ্বংস ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টির মত স্বদেশ বিরোধী কাজে জড়িয়ে পড়েছে আন্দোলনকারী কিছু ছাত্রবেশধারী সন্ত্রাসীরা। লেখাপড়া বাদ দিয়ে রাস্তায় নেমে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ভাংচুর, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের অর্জনকে ম্লান করে দিচ্ছেন তারা।

ভিডিও সূত্র বলছে, শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলন করছে এর মধ্যে শিবির নেতাদের একাধিক ফুটেজে দেখা গেছে। বিশেষ করে শিবিরের ছাত্রবিষয়ক সম্পাদককে বাংলামোটরে অবস্থান নিয়ে দিক নির্দেশনা দিতে দেখা গেছে।

সূত্র বলছে, এসব আন্দোলনে সুবিধাবাদী বা স্বার্থান্বেষী মহলের সম্পৃক্ততা দেখা যাচ্ছে। আন্দোলনের বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা গেছে শিবিরের নেতাদের, বিএনপির ছাত্রদলের নেতাদেরও দেখা গেছে এ আন্দোলনে। তাদের নিজেদের মধ্যে যেই কথোপকথন তাও খুব স্পর্শকাতর। এই কোমলমতি শিশুদের দিয়ে একধরনের অপরাধ সংঘটন করিয়ে নিতে চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। স্কুলের ছাত্রদের স্কুল ড্রেস পরে আন্দোলনে সম্পৃক্ত হতে বলা হচ্ছে। ছাত্রদের খাবার দিয়ে তাদের উৎসাহ দিচ্ছে শিবির কর্মীরা। এই কোমলমতি ছাত্ররা তাদের সহপাঠী হারানোর বেদনায় সিক্ত হয়ে সহানুভূতি জানাচ্ছে। কিন্তু এটা ভিন্ন দিকে টার্ন দেয়ার জন্য জামাত-শিবির আর বিএনপির শীর্ষ সন্ত্রাসীরা চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।